রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসির চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৯ পয়সা। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির ইপিএস কমেছে ৭৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) রূপালী ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪২ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ১৯ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি রূপালী ব্যাংকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ২৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৯৭ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে রূপালী ব্যাংকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৯০ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রূপালী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৬১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৬ টাকা ১০ পয়সায়।
১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৭০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৮৭ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৪৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৮ কোটি ৭৯ লাখ ৩২ হাজার ৬৫। এর ৯০ দশমিক ১৯ শতাংশ রয়েছে সরকারের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৪৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
গতকাল ডিএসইতে রূপালী ব্যাংকের শেয়ারের সমাপনী দর ছিল ২২ টাকা ১০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১৬ টাকা ৪০ থেকে ৩১ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।